প্রকাশিত হলো পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের চূড়ান্ত ফলাফল

প্রকাশিত হলো পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ও কেন্দ্রীয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দশম শ্রেণীর চূড়ান্ত ফলাফল। প্রতিবছরের ন্যায় এই বছরও মাধ্যমিকে জয়জয়কার জেলাগুলিতে।সাফল্যের দিক থেকে জেলাগুলির মধ্যে থেকে সবথেকে এগিয়ে পূর্ব মেদেনীপুর(সাফল্যের হার -৯৬ শতাংশ), পশ্চিম মেদেনীপুর(৯২ শতাংশ) ও কলকাতা(৯১ শতাংশ)।রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী পূর্বেই জানিয়েছিলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জুন মাসের মধ্যেই প্রকাশিত হবে মাধ্যমিকের রেজাল্ট।তবে বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে জুলাইয়ের মধ্যে রেজাল্ট বেরোলেও তাতে বেশ কিছুটা আশ্বস্ত সমগ্র ছাত্রসমাজ ও শিক্ষামহল।

বুধবার ১০টায় সাংবাদিক বৈঠকের মধ্য দিয়ে রাজ্যের দশম শ্রেণীর ফলাফল ঘোষণা করেন রাজ্য মধ্যশিক্ষা পর্ষদের চেয়ারম্যান কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়। এবং সকাল ১০.৩০ মিনিট এর পর থেকেই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে ফল জানা যাবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি। এবছর পরীক্ষার্থী হিসাবে ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রী সংখ্যা ছিল বেশি।তবে সাফল্যের দিক থেকে এবছর মেয়েদের তুলনায় বেশ কিছুটা এগিয়ে ছেলেরা। এবছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল -১০লক্ষ ১৫ হাজার ৮৮৮ জন। এর মধ্যে মোট ছাত্রের সংখ্যা- ৪ লক্ষ ৩৯ হাজার ৮৭৯ জন এবং ছাত্রী সংখ্যা ছিল -৫ লক্ষ ৭৬ হাজার ৯ জন। আগের বছরের তুলনায় এবছরের পরীক্ষার্থী সংখ্যা ছিল কম( প্রায় ৩৩হাজার কম)।

ধূমকেতু ‘নিওওয়াইস’: এক বিরল মহাজাগতিক বিস্ময়

মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অর্জন করেছে পূর্ব বর্ধমানের অন্তর্গত মেমারী শহরের মেমারী বিদ্যাসাগর মেমোরিয়াল প্রতিষ্ঠানের অরিত্র পাল।তার প্রাপ্ত নাম্বার – ৬৯৪(৯৯.১ শতাংশ)।দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে বাঁকুড়ার সায়ন্তন গড়াই ও পূর্ব বর্ধমানের অভীক দাস। তাদের উভয়েরই প্রাপ্ত নাম্বার ৬৯৩।রাজ্যের মধ্যে তৃতীয় ও মেয়েদের মধ্যে মাধ্যমিকে প্রথম স্থান অর্জন করেছে পূর্ব মেদেনীপুরের ভবানীচক হাইস্কুলের দেবস্মিতা মহাপাত্র।তার প্রাপ্ত নাম্বার ৬৯০।এছাড়াও ঐতিহ্যবাহী রহড়া রামকৃষ্ণ মিশন এর ছাত্র অরিত্র মাইতি ও বাঁকুড়া জেলার কেন্দুয়াডিহি হাইস্কুলের সৌম্য পাঠক যুগ্মভাবে এই স্থান দখল করেছে।উভয়েরই প্রাপ্ত নাম্বার ৬৯০।

অতীতে কেন্দ্রীয় মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের তরফ থেকে জানানো হয় যে, বুধবার অর্থাৎ ১৫ জুলাই সিবিএসই দশম শ্রেণীর ফল প্রকাশিত হবে।সর্বমোট ১৮ লাখ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় উপস্থিত ছিল।সাফল্যের হিসাবে প্রায় ৯১.৪৬ শতাংশ পড়ুয়া এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, যা আগের বছরের তুলনায় বেশি। রাজ্য মাধ্যমিকে সাফল্যের দিক থেকে ছাত্ররা এগিয়ে থাকলেও কেন্দ্রীয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদের দশম শ্রেণীর বোর্ড রেজাল্টের চিত্রটা ঠিক তার উল্টো।এক্ষেত্রে ছেলেদের তুলনায় মেয়েরা বেশ কিছুটা এগিয়ে রয়েছে।সিবিএসই দশম শ্রেনীর ফলাফল অনুযায়ী মেয়েদের পাশের হার ৯৩.৩১ শতাংশ, কিন্তু সেখানে ছেলেদের পাশের হার ৯০.১৪ শতাংশ।করোনা আবহে ও এমন এক অজানা সংকটময় পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে সিবিএসই দশম শ্রেণীর বোর্ড রেজাল্টের মেরিট লিস্ট তৈরী করতে চায়নি কেন্দ্রীয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদ, এদিন দিনের শেষে সেই সিদ্ধান্তেই অনড় রইল পর্ষদ।

@অর্পণ ব্যানার্জী

Leave a Reply