MoviesReviews / Trivia

ময়ূরাক্ষী

। । ময়ূরাক্ষী । ।

Directed by— Atanu Ghosh
Produced by— Firdausul Hassan & Probal Halder
Written by— Atanu Ghosh
Screenplay by— Atanu Ghosh
Story by— Atanu Ghosh
Starring— Soumitra Chatterjee,
Prosenjit Chatterjee,
Indrani Halder,
Sudipta Chakraborty,
Gargee Roy Chowdhury
Music by— Debojyoti Mishra
Cinematography— Soumik Halder
Edited by— Sujoy Datta Ray
Distributed by— Friends Communication
Running time—
102 mins

কিছু কিছু সিনেমা হয়, যেগুলো আমাদের অনেক কিছু প্রশ্নের উত্তর দিয়ে যায়| আর কিছু সিনেমা হয়, যেগুলো আমাদের ভাবায়, আমাদের একগাদা প্রশ্নের মুখে ঠেলে দেয়, আমাদের ব্যঙ্গ করে বলতে চায় আদৌ কি নিজেকে বুঝেছো? অতনু ঘোষ পরিচালিত ময়ূরাক্ষী সিনেমাটি 2nd type-এর সিনেমা। যদি তুমি সিনেমার মধ্যে লুকিয়ে থাকা প্রশ্নগুলো বুঝতে পারো তাহলে সত্যিই ময়ূরাক্ষী নদীর জলের মতো স্বচ্ছ কিছু মুহূর্ত খুঁজে পেতেই পারো।
এবার আসা যাক সিনেমার synopsis-এ। প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী (আর্যনীল) former bengal ranji player কোনো কারণে পরে বিদেশে শিকাগোতে চাকরী করতে চলে যান, দুবার বিয়ে করেও সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে ব্যর্থ। কিন্তু কিছুদিন পর তার বাবা সৌমিত্র চ্যাটার্জী সিনেমায় সুশোভন (একজন ৮৪ বছরের বৃদ্ধ ইতিহাসের অধ্যাপক যিনি শুধু অতীতের স্মৃতি নিয়ে বেঁচে আছেন বর্তমানটা মনে রাখতে পারেন না) দেখা করতে আসেন এবং এরপরই শুরু হয় ঘটনার চড়াই-উতরাই। শুধু মাঝে বৃদ্ধ সুশোভন একজনের নাম বারবার বলেন সেটা হল ‘ময়ূরাক্ষী’ (বহু বছর আগে সুশোভন বাবুর ছাত্রী এবং কেয়ারটেকার ছিলেন)। এবার শেষ পর্যন্ত আর্যনীল তার বাবার জন্য কি ময়ূরাক্ষীকে খুঁজে পেলেন? সেটা আপনাকে সিনেমা হলে গিয়ে দেখে আসতে হবে।

প্রসেনজিৎ চ্যাটার্জী এবং সৌমিত্র চ্যাটার্জী সত্যিই অসাধারণ। অন্য কাউকে মানাতোই না বোধহয়। সুদীপ্তা চক্রবর্তী care taker এর চরিত্রে অনবদ্য ( the unsung performer)। ইন্দ্রানী হালদার আর একটু ভালো করলে বোধহয় ভালো লাগতো, বড্ড তাড়াহুড়ো করছিলেন মনে হল। ক্যামেরায় সৌমিক হালদার (take a bow man) সত্যিই ভদ্রলোক অন্য level-এর কাজ করেছেন। composer দেবজ্যোতি মিশ্র-র সুর ঠিকই আছে, আসলে বেশি scope পাননি। First half-টা একটু slow কিন্তু second half-টা সত্যিই বর্ষাকালের ময়ূরাক্ষীর মতো আপনার মনটার দু’কূল ভাসিয়ে দেওয়ার মতো। মোটামুটি যদি আপনি সত্যিই নতুন করে বাস্তবটা বুঝতে চান, then this movie can give you satisfaction.

সত্যিই আমরা জীবনে যতবারই অতীতে ফিরতে চাই না কেন, বর্তমান নামক কঠিন জিনিসটা সব কিছু ভাসিয়ে দেয় ঠিক যেমন আর্যনীল দাঁড়ি-গোঁফ কাটতে গিয়ে বা বাবা অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও শিকাগোতে চলে যাওয়াটা।
আমরা সারাজীবন এমন অনেক পুরোনো স্মৃতি, পুরোনো মানুষকে আবার ফিরে পেতে চাই কিন্তু ওই যে ময়ূরাক্ষী বোধহয় সবকিছু ভাসিয়ে নিয়ে চলে যায়। তাই সিনেমার শুরুটা সত্যিই বলেছিল, “জীবন মানে শুধু আসা আর যাওয়া…”।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Check Also

Close
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker