Modern যুগে শাসকরা ঠিক কেমন

শাসক শাসিতের সম্পর্ক!! বেশ Interesting তাই না? সেই প্রাকযুগ থেকে এখনও এই “Modern” যুগ অবধি শোষণ বেশ জনপ্রিয় আমাদের এই সমাজে।
শাসকরা শোষন করছে আর অত্যাচারিত ও নিপীড়িত হচ্ছে কিছু মানুষ।
প্রাক মধ্যযুগে ক্ষমতার বিনিময়ে কিছু লোক মানুষদের শাসন করতো। তাদের সাধারনত রাজা বলে আমরা ইতিহাসেই পড়েছি।

এবার তিনি স্বৈরাচারী হবেন কিনা তা ভগবানই জানতো। তবে পূর্বে মানুষ শাসিত হয়েছে অনেক বেশি।
জমি দখল থেকে শুরু করে বাড়ির মহিলাদের সম্ভোগ তাদের যৌনদাসী করে রাখা সবই চলতো যথেচ্ছো ভাবে।
তবে এসব কথা আমরা সবাই কম বেশী জানি।

যেটা জানিনা সেটা হলো আমাদের So called Modern যুগে এই শাসক-শাসিতের সম্পর্কটা ঠিক কিরকম । এখনও কি আগের মতোই শোষণ হয়?
সত্যি বলতে হয়। কখনো চার দেওয়ালে ,কখনো বা অফিসের শীতল কক্ষে কিংবা কখনো কলেজের স্টাফ রুমে।

তবে হ্যাঁ ,আমরা সবাই Modern হয়েছি তাই এগুলো সবার অগোচরেই থেকে যায়।
অফিসে গিয়ে ইংরাজীতে ফটর ফটর করা ” ন্যাকা”মেয়েটাও বাড়ী গিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদে। বসের নোংরা চোখে ধর্ষিত হয় প্রতিদিন ।প্রতিবাদ?
কি করে করবে ? শাসক থুড়ি বস্ যে! চাকরী যদি খেয়ে নেয় । তাই মেনে নিতেই হয়।

বাড়ী ফিরে নিজের বিছানায় পরপুরুষের টের পেয়েও চুপ থাকতে হয় লোকটিকে।
বউ যদি ঝগড়া করে ,সবাইকে জানিয়ে দেয় তার শারিরিক অক্ষমতা ! লোকে কি বলবে?

কলেজের মাঝবয়সী প্রফেসরের অসভ্যতা ,কটাক্ষ সহ্য করে নিতেই হয় যে মেয়েটা বলেছিলো “অন্যায় সহ্য করবো না।”
কি করবে যদি নম্বর না দেয়? ফেল করিয়ে দেয়! তাই মেনে নিতেই হয়।

এইভাবে মানিয়ে নিতে নিতে আমরাই জন্ম দিচ্ছি আরেক দল” Modern “শাসক-শাসিতদের।
জানিনা এই অধ্যায়ের শেষ কোথায়?
আদৌ শেষ হবে কিনা! তবে এভাবে চলতে থাকলে আর যাই হোক নিজেদের আধুনিক বা modern বলা চলে না । কারন আধুনিক আর হলো কই? শুধু ধরন বদলেছে এই যা।