ভাগ্য নিয়ন্ত্রকহীন নিজের ভাগ্য গড়তে হয় নিজ হাতেই

“আমার কেন এমন সর্বনাশ হলো বাবা?? তুমি কেন কিছু বুঝতে পারলে না??” মেয়ের চিৎকারে সম্বিৎ ফেরে এক অসহায় পিতার। এক বছর আগে কুষ্টি তিথি নক্ষত্র গণনা করেই মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। দুজনেই রাজজোটোক।তবু বছর ঘুরতেই এই অঘটন। । হাইওয়ে তে বাইক দূর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছে মেয়ের স্বামী বিকাশ।

পেশায় জ্যোতিষ ত্রিকালদর্শী চিত্ত বাবুর খুব নামডাক। সবার ললাট লিখন পরিবর্তনে তার জুড়ি মেলা ভার।
কিন্তু তবুও নিজের কন্যার দুর্ভাগ্য কে আটকাতে পারলেন না তিনি।

মানুষের ভাগ্যের লিখন বোঝার সাধ্যি যে মানুষেরই নেই…
এই সহজ সত্যটা আমরা জানলেও মানতে পারি না।ভাগ্যের উপর কারুর নিয়ন্ত্রণ নেই নিজের ভাগ্য নিজেকেই গড়তে হয় ।অন্য কোনো মানুষের অলৌকিক শক্তির গণনায় ভাগ্য পাল্টায় না। যিনি ভাগ্যদাতা তিনি নিজের ভাগ্যের বিড়ম্বনার কথা ই সবার আগে জানবেন কিন্তু নাহ বাস্তবে সেটা হয়নি। খ্যাতনামা জ্যোতিষ জয়ন্ত শাস্ত্রী অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত হয়েছেন নিজের বাসগৃহে বেশ কিছু মাস আগেই এই খবরটা আমরা সব সংবাদ পত্রে পড়েছি। সবার ভাগ্যের পূর্বাভাস তিনি করতে পারতেন। হটাৎ দুর্ঘটনার কথা পূর্বে জানার কোনো উপায় নেই তা সত্যিই হটাৎ করেই আসে। এই ঘটনাই তার প্রমান। কিন্তু বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদূর। বিশ্বাস একান্ত মানুষের নিজস্ব।