অনুরাগের সংজ্ঞা তোমার জানা নেই

অনুরাগের সংজ্ঞা তোমার জানা নেই,
তোমার প্রেমিক হওয়ার জোগ্যতাই নেই।
অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে যে মেয়েটা মুখের ওপর কথা বললে,
যদি  তোমার তাকে অসভ্য এবং বাজে বলে মনে হয়,
তোমার ভালোর জন্য অন্যের সাথে লড়াই করতে যে মেয়েটা পিছপা হয়না,
অথচ তাকে যদি তুমি সন্দেহ করো..
তাহলে তুমি প্রেমিক নও।

(ছবি:-সংগৃহীত)

তুমি ভালোবাসা নও,
সবার বিরুদ্ধে গিয়ে যে তোমাকে বাঁচানোর জন্য ছটপট করে,
অথচ তুমি তার বিপক্ষে হয়ে কথা বলো,
রাত করে বাড়ি ফিরলে তাকে যদি অত্যাচার করো,
এবং নিজের জন্য যেমন খুশি সময় কাটাতে যদি তাকে না দাও,
বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে গেলে যদি তাকে বাধা দাও,
সামান্য নিজেদের মতো করে বাঁচতে স্বাধীনতাটুকু ও দেবার প্রয়োজন মনে না করো,
রাস্তায় একা হাঁটার সাহস না দিয়ে যদি কুরুচিপূর্ণ কথা বলো,
ভাবো, মেয়েদের বাড়ির এককোনে পড়ে থাকতে হয়,
তাহলে তুমি একটা কাপুরুষ।
হ্যাঁ, হ্যাঁ তুমি একটা কাপুরুষ।

(ছবি:-সংগৃহীত)

তুমি অনুরাগের মানুষ নও,
বিয়ের পর তাকে যদি পড়াশোনা বন্ধ করে রান্নাঘরের গরমে বসিয়ে রাখো,
কিংবা, বিয়ের পর তাকে চাকরি করতে বাধা দাও,
এই বলে, যে মেয়েদের বিয়ের পর বাড়ির বাইরে চাকরি করতে যেতে নেই, ওসব ছেলেদের কাজ,
তাহলে বিশ্বাস করো,
তুমি প্রেমিক নামে কলঙ্ক।

সমাজে থাকার জোগ্যতা তুমি হারিয়েছো।

তুমি ভালোবাসতে পারোনি,
তাকে তার মনের মতো জামা, প্যান্ট পড়তে যদি বাধা দাও,
ছোটোখাটো ব্যাপারেও তার সাথে ঝামেলা করো, শাসন করো,
অন্যের মিথ্যা কথায় ভুলে গিয়ে তাকে যদি ভুল বোঝো,
তাহলে তুমি প্রকৃত প্রেমিক নও।

(ছবি:-সংগৃহীত)

তুমি অনুরাগ মানেই বোঝোনি,
দুটো ছেলের সাথে সে একা যুদ্ধ করে একটা নিষ্পাপ মেয়েকে বাঁচালে,যদি তুমি তাকে ঘৃনা করো,
তোমার অসুস্থতাই যে সারারাত চোখের পাতা এক করে না,
অথচ সেই মেয়েটির অসুস্থতাই সামান্য তার পাশে এসেও দাঁড়াও না,
তাহলে,তোমার ওটা মিথ্যে ভালোবাসা ছিলো।

(ছবি:-সংগৃহীত)

এটাও পড়তে পারেন: মনের গহীনে ডুবুরিরা

তুমি প্রেম নও,
যে মেয়েটি সব স্বাচ্ছন্দ্য ভুলে গিয়ে শুধু তোমাকে ভালোবেসে যায়,তোমার মন পাওয়ার জন্য,
অথচ তুমি তাকেই সন্দেহ বশত দূরে ঠেলে দাও,
কিংবা সেই মেয়েটি থাকা সত্ত্বেও তুমি যদি অন্য মেয়ের প্রতি আকৃষ্ট হও এবং তাকে অবহেলা করো।
সেই মেয়েটির কাছে টাকার পর টাকা নিয়ে ফুর্তি করো,
অথচ তাকে সামান্য ভালোবাসাটুকু ও দিতে পারোনি,
তাহলে তুমি প্রেমিক নও।
তুমি প্রেমিও নও।