fbpx
I got a story to tell

চুল পড়া যেন ক‍্যান্সার পেশেন্টদের বিতৃষ্ণার কারণ না হয়ে দাঁড়ায়!

ক‍্যান্সার আক্রান্ত রোগীদের সুস্থ হওয়ার পর অনেকরকম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার সম্মুখীন হতে হয়, তার মধ‍্যে দুঃখজনক হলো মাথার চুল পড়া ।

ক‍্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়া লোকদের জন্য নিজের মাথার সৌন্দর্য দান করলেন ৬৫ বছর বয়সী মহিলা অরুণা মালহান। এরকম আমরা আরও অনেক উদাহরণ পাবো।

আমাদের চুল আঁচড়ানোর ব্রাশে চুলের জটলা দেখে আমরা সকলেই আতঙ্কিত হই।  এই চুল পড়ার কারণ, একদিন আমাদের সমস্ত চুল হারাবার ভয়ে আমরা আক্ষেপ করে চলি।  কল্পনা করুন যে, ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়া লোকেরা, তাদের কোনও কেশবিন‍্যাস ছাড়াই দেখতে পাওয়া কতটা দুঃখজনক হবে।

ক্যান্সারের চিকিৎসার অনেকগুলি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হতে পারে তবে সেগুলোর মধ্যে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক হল চুল পড়া ।  কেমোথেরাপির ফলে চোখের, ভ্রু, লোম এবং শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলি সহ আপনার সমস্ত শরীরে লোম পড়তে পারে।  চুল পড়া কেবল একজন ব্যক্তির চেহারাকেই প্রভাবিত করে না, তবে রোগীকে আরও অসুস্থ বোধ করে এবং তাদের সামগ্রিক আত্ম-সম্মানকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করে।  কিছু লোক এই কারণে এমনকি উদ্বেগ এবং হতাশায় ভোগেন।

ক্যান্সার থেকে বেঁচে যাওয়া মানুষের বেদনা সহানুভূতি সহ ৬৫ বছর বয়সী অরুণা মালহান  নিজের মাথার সৌন্দর্য দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, যা ক্যান্সার রোগীদের জন্য উইগ তৈরির জন্য ‘হোপ ফর হেয়ার ইন্ডিয়া’ ফাউন্ডেশন ব্যবহার করবে।

অরুণা বলেছেন যে ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমর্থন করার জন্য চুল দান করা একটি দুর্দান্ত উপায়।  তবে এই প্রথম নয় যখন অরুণা তার চুল এর আগেও দান করছেন।  তিনি এর আগে দু’বার ক‍্যান্সার পেশেন্টদের উদ্দেশ্যে তাঁর চুল দান করেছেন।

অরুণা বলেছেন যে এই কারণটি তার হৃদয়ের কাছাকাছি কারণ তার মাও স্তন ক্যান্সারে ভুগছেন এবং এর কারণে তিনি তার পরিবারের তিন সদস্যকে হারিয়েছেন।

তিনি চুল অনুদানের গুরুত্বের উপর জোর দিয়েছিলেন এবং দৃঢ়ভাবে বলেছেন যে এই বিষয়ে মানুষের মধ্যে সচেতনতা জরুরি।

তিনি আরো বলেছেন যে, এটি সম্পর্কে জানতে হলে এগিয়ে আসতে হবে। কেউ যদি এ সম্পর্কে কথা না বলে তারা কীভাবে এটি সম্পর্কে জানবে?  লম্বা কেশবিন‍্যাস রয়েছে এমন অনেক লোক রয়েছে। তারা এটি দান করতে পারে, এটি সমাজে  গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে। ক‍্যান্সার পেশেন্টদের খুশির কারণ হয়ে ওঠে।

ক‍্যান্সার পেশেন্টরা মৃত‍্যুর সঙ্গে লড়াই করে বেঁচে ফিরে আসেন। তাঁদের খুশির জন‍্য মাথার সৌন্দর্য দান করা সত‍্যিই বড় ব‍্যাপার এবং সমাজের মধ‍্যে এই সচেতনতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। চুল পড়া কিংবা হারাবার কারণে কারো যেন বাঁচার ইচ্ছেটা না মরে যায়! স্বাস্থ্য সম্মত চুল পড়া থেকে রেহাই পাবার কোনো চিকিৎসা নেই। তাই যতটা সম্ভব মানসিক দিক থেকে শান্তির জন‍্য এই বিষয়ে সচেতনতা প্রয়োজন।

Show More

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button
Close

Adblock Detected

Please consider supporting us by disabling your ad blocker